রায়পুরায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, মরদেহ দোকানে
রায়পুরায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, মরদেহ দোকানে

নরসিংদীর রায়পুরায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে রফিকুল ইসলাম মুন্সি (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (২৪ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের হাঁটুভাঙ্গা রেলগেট সংলগ্ন ভাই ভাই স্টোরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহতের পরিচয় ও পারিবারিক তথ্য

নিহত রফিকুল ইসলাম মুন্সি হাঁটুভাঙ্গা গ্রামের সাহারাজ খলিফার ছেলে এবং স্থানীয় বাজারে স্যানিটারি মালামাল, টাইলস ও হার্ডওয়্যার পণ্যের ব্যবসা করতেন তিনি। ঘটনাস্থল থেকে তার বাড়ির দূরত্ব মাত্র পাঁচশত গজ দূরে।

নিহত রফিকুলের পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিন তিনি রাত সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে ফিরতেন। শনিবার রাত ১০টার পরও বাড়িতে ফিরছিলেন না তিনি। মোবাইল ফোনে কয়েকবার ফোন করেও যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। পরে পরিবারের লোকজন দোকানে গিয়ে দেখেন, শাটার নামানো কিন্তু তালা লাগানো ছিল না। শাটার খুলে দোকানের ভিতর ঢুকেই রফিকুলের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা। এ সময় তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের কার্যক্রম

পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে রায়পুরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। রায়পুরা থানার পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১০টায় ঘটনাস্থল থেকে নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর লাশ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। তার গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে একাধিক ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল। ছোপ ছোপ রক্তে ভেসে যায় ঘটনাস্থল।

রায়পুরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রবীর কুমার ঘোষ বলেন, রাতে টহল টিমের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পৌঁছে দেখতে পাই ব্যবসায়ী রফিকুলের রক্তাক্ত মরদেহ তার দোকানের গোডাউনে পড়ে আছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তদন্তের অগ্রগতি

তিনি আরও জানান, রোববার সকালে সিআইডি থেকে বিশেষ ক্রাইমসিন ইউনিট টিম এসে ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। এরপর মর্গে গিয়েও আলামত সংগ্রহ করবে। ঘটনাস্থলে ও আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। দ্রুতই জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।