মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৭ নভেম্বর বিপ্লব দিবস পুনর্বহাল ও সৌরবিদ্যুৎ পরিকল্পনা ঘোষণা
৭ নভেম্বর বিপ্লব দিবস পুনর্বহাল ও সৌরবিদ্যুৎ পরিকল্পনা

মন্ত্রিসভার বৈঠকে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত: ৭ নভেম্বর বিপ্লব দিবস পুনর্বহাল ও সৌরবিদ্যুৎ লক্ষ্যমাত্রা

আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। বৈঠকে ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসকে পুনরায় রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা আগামী বছর থেকে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া, ২০৩০ সালের মধ্যে সৌরশক্তি ব্যবহার করে ১০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়েছে।

বিপ্লব দিবসের পুনর্বহাল ও সরকারি ছুটির ঘোষণা

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. নাসিমুল গণি ব্রিফিংয়ে জানান, ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত সরকার গ্রহণ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘গত ১৬ বছর ধরে এই দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়নি। এখন থেকে এটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে এবং এদিন সরকারি ছুটি থাকবে।’ এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ঐতিহাসিক এই দিনটির গুরুত্ব পুনরুদ্ধার করা হলো।

এছাড়া, বৈঠকে ৬ জুলাইকে পল্লি উন্নয়ন দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে, তবে এই দিনটি সরকারি ছুটির অন্তর্ভুক্ত হবে না।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ও জ্বালানি নীতি

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও জানান, বৈঠকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা–২০২৫ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এই নীতিমালার অধীনে সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে সৌরশক্তি ব্যবহার করে ১০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা দ্রুত কার্যক্রম শুরু করবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ফলে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সক্রিয়ভাবে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে সৌরবিদ্যুতের মতো নবায়নযোগ্য উৎসের দিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ, যা ভবিষ্যতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

বৈঠকের অন্যান্য দিক

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার সদস্যরা দেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বিষয়ে আলোচনা করেছেন। সরকারের এই সিদ্ধান্তগুলো জাতীয় অগ্রগতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।