সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর
সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিসের জামিন

সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর

সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯-এর অধীনে দায়ের করা একটি মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কেএম জাহিদ সরওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আনিস আলমগীরের জামিন আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ জারি করেন। শুনানিতে সাংবাদিকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী তামান্না ফেরদৌস।

মামলার পটভূমি ও গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া

এর আগে, ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডির একটি জিম থেকে আনিস আলমগীরকে ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ (ডিবি) কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের অধীনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ১৫ ডিসেম্বর তাকে ঢাকার প্রধান মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হয়, যেখানে তার পক্ষে জামিন আবেদন দায়ের করা হয়।

তবে, ২২ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন নাকচ করে দেয়। রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনি গত ডিসেম্বর থেকে কারাগারে আটক ছিলেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হাইকোর্টের আদেশ ও আইনি প্রক্রিয়া

হাইকোর্ট বেঞ্চের আদেশে আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে, যা তার আইনি লড়াইয়ে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আইনজীবী তামান্না ফেরদৌসের প্রতিনিধিত্বে শুনানিটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সাংবাদিকের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়। আদালতের এই সিদ্ধান্তে মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে, তবে আনিস আলমগীর জামিনে মুক্ত থাকতে পারবেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই মামলাটি সন্ত্রাস বিরোধী আইনের প্রয়োগ ও সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। আদালতের আদেশে আইনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দিকটি উঠে এসেছে। আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর হওয়ায় তার পরিবার ও সহকর্মীরা স্বস্তি বোধ করছেন, যদিও মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনো বাকি রয়েছে।