অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আসাদুজ্জামান রিপনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, রিপন ঢাকার একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নাম পরিবর্তন করে আত্মগোপনে ছিলেন।
গ্রেপ্তারের বিবরণ
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে সকালে ঢাকার মিরপুরের পল্লবী এলাকা থেকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসাদুজ্জামান সম্রাট রিপনকে গ্রেপ্তার করে পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশ।
আসামির পরিচয়
গ্রেপ্তার রিপন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কালিকাপুর এলাকার মো. ইউনুস হাওলাদারের ছেলে। পটুয়াখালী সদর থানার এএসআই রুবেল জানান, ঢাকার শাহআলী থানায় দায়ের করা একটি অস্ত্র মামলায় সম্রাট রিপনের ১০ বছরের সাজা হয়। ২০২১ সালে ওই থানা থেকে পটুয়াখালী সদর থানায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট পাঠানো হয়। তবে সম্রাট রিপন নামে এলাকায় কাউকে চেনা যায়নি।
বহু নামে পরিচিত
পুলিশ জানায়, সে বিভিন্ন স্থানে আসাদুজ্জামান রিপন, রিপন ও সম্রাটসহ বিভিন্ন নামে পরিচয় ব্যবহার করতেন। পাশাপাশি ফোন ও নম্বর পরিবর্তন করে হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়তো। গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় হলেও গত সাত-আট বছরে তাকে এলাকায় দেখা যায়নি।
অভিযান ও গ্রেপ্তার
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, আসাদুজ্জামান রিপনই সম্রাট রিপন। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার একাধিক থানার পুলিশের সঙ্গে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় পল্লবী এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনে চায়ের আড্ডা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে পটুয়াখালীতে নিয়ে আসা হয়।
আইনি প্রক্রিয়া
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার রিপনের বিরুদ্ধে ঢাকার বিভিন্ন আদালতে একাধিক হত্যা মামলা বিচারাধীন রয়েছে। রাতে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী শুক্রবার সকালে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



