লেবাননের প্রেসিডেন্টের দাবি: ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনা বিশ্বাসঘাতকতা নয়
লেবাননের প্রেসিডেন্ট: ইসরায়েল আলোচনা বিশ্বাসঘাতকতা নয়

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনাকে সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, এটি বিশ্বাসঘাতকতা নয় বরং একটি কূটনৈতিক যুদ্ধ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘লেবাননের ভূখণ্ডের এক ইঞ্চিও আমরা ছাড় দেব না।’ প্রেসিডেন্টের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলের নিরাপত্তা অঞ্চলে অবস্থান

এর আগে বুধবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেন, ইসরায়েলি সেনারা লেবানন, সিরিয়া এবং গাজা উপত্যকায় তাদের তথাকথিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চলে’ ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত’ অবস্থান করবে।

মার্কিন সমর্থিত শান্তি চুক্তি

লেবানন গত সপ্তাহে ইসরায়েলের সঙ্গে একটি মার্কিন সমর্থিত শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা। এই পদক্ষেপ ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে পড়েছে। প্রেসিডেন্ট আউন বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনা ‘বিশ্বাসঘাতকতা নয় বরং অপ্রয়োজনীয় রক্তপাত ছাড়া একটি কূটনৈতিক যুদ্ধ।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সাম্প্রতিক যুদ্ধের প্রেক্ষাপট

সর্বশেষ যুদ্ধ শুরু হয় ২ মার্চ, যখন হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এই ঘটনা ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যার জন্য মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ঘটে। ইসরায়েল বিমান হামলা ও স্থল আক্রমণের মাধ্যমে জবাব দেয়, যাতে লেবাননে কর্তৃপক্ষের মতে ৪ হাজার ২০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

লেবাননের অবস্থান

লেবাননের প্রেসিডেন্ট বলেন, বৈরুত আলোচনায় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ‘ইসরায়েলের ভূখণ্ড থেকে প্রত্যাহার নিশ্চিত করতে।’ তিনি ঘোষণা করেন, ‘আমরা লেবাননের ভূখণ্ডের এক ইঞ্চিও ছাড় দেব না।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

চুক্তির বিবরণ

কাঠামো চুক্তিটি লেবাননি সেনাবাহিনীকে দক্ষিণ লেবাননে ধীরে ধীরে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার কথা বলে, যেখানে হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র হবে এবং ইসরায়েল প্রত্যাহার করবে। তবে এ জন্য কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। প্রক্রিয়াটি একটি নিরাপত্তা পরিশিষ্টে বিস্তারিত থাকবে, যার বিষয়বস্তু এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

নেতানিয়াহুর অবস্থান

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু মঙ্গলবার দক্ষিণ লেবাননের তথাকথিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ সফর করে পুনর্ব্যক্ত করেন যে যতক্ষণ হিজবুল্লাহ হুমকি হয়ে থাকবে, ততক্ষণ সেনারা সেখানে থাকবে।