প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানটি নামার পর মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
বিমানবন্দরে জমকালো স্বাগত
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে রোববার বিকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান মালয়েশিয়ার ধর্মমন্ত্রী জুলকিফলি হাসান ও তার সহধর্মিণী। এ সময় মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী এবং তার সহধর্মিণীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয় এবং প্রদান করা হয় গার্ড অব অনার। সুসজ্জিত বাহিনীর দেওয়া গার্ড অব অনারের সময় দুই দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়।
বিশেষ মোটর শোভাযাত্রায় হোটেলে গমন
এরপর বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রা সহকারে কুয়ালালামপুরের ‘শাংগ্রি লা’ হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণীসহ সফরসঙ্গীরা এই হোটেলে অবস্থান করবেন।
সন্ধ্যায় সুধী সমাবেশ
মালয়েশিয়া আগমন উপলক্ষে রাতে একটি সুধী সমাবেশে যোগ দেবেন তারেক রহমান। সমাবেশে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, শ্রমিক, প্রবাসীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেবেন।
প্রথম বিদেশ সফরের তাৎপর্য
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তার প্রথম বিদেশ সফর।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার, শ্রমবাজার সম্প্রসারণ এবং কৌশলগত সহযোগিতা গভীর করার লক্ষ্যেই প্রথম সরকারি বিদেশ সফরের গন্তব্য হিসেবে মালয়েশিয়াকে বেছে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।



