জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেছেন, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) এবং উত্তরণশীল দেশগুলোর জন্য অফিশিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্স (ওডিএ) প্রতিশ্রুতি পূরণ এবং সম্প্রসারিত সহজ শর্তে অর্থায়নের মাধ্যমে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সমর্থন প্রয়োজন। বুধবার নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দফতরে দোহা কর্মসূচির (ডিপিওএ) মধ্যবর্তী পর্যালোচনা বিষয়ে সাধারণ পরিষদ-ইকোসক যৌথ থিম্যাটিক ইভেন্টে বক্তৃতাকালে তিনি এই আহ্বান জানান। বৃহস্পতিবার প্রাপ্ত এক সরকারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
জলবায়ু ও ঋণ সংকটের চ্যালেঞ্জ
ইভেন্টে বক্তৃতাকালে রাষ্ট্রদূত চৌধুরী জলবায়ু সংকট, ঋণ সংকট এবং চলমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জের মধ্যে এলডিসিগুলোর কষ্টার্জিত উন্নয়ন অর্জন রক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।
বাংলাদেশের উত্তরণ প্রক্রিয়া
বাংলাদেশের নিজস্ব উত্তরণ যাত্রা তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত চৌধুরী দেশটির উত্তরণ সময়কাল তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, উত্তরণ প্রক্রিয়া এবং উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে এলডিসিগুলোকে সহায়তা করার জন্য আরও শক্তিশালী বৈশ্বিক রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন, যাতে একটি মসৃণ ও টেকসই রূপান্তর নিশ্চিত করা যায়।
দোহা মধ্যবর্তী পর্যালোচনার প্রত্যাশা
বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আশা প্রকাশ করেন যে ২০২৭ সালের মার্চ মাসে কাতারে অনুষ্ঠেয় দোহা মধ্যবর্তী পর্যালোচনা দোহা কর্মসূচির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার এবং এলডিসি ও উত্তরণশীল দেশগুলোর জন্য বাস্তব ফলাফল প্রদানের সুযোগ তৈরি করবে। তিনি বলেন, এই পর্যালোচনা সভা এলডিসিগুলোর উন্নয়ন অগ্রাধিকার পুনর্বিন্যাস এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।



