ইরান যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় পাকিস্তানে বৈঠকের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের
ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা ইরান যুদ্ধ বন্ধের উপায় নিয়ে আলোচনার জন্য চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে পাকিস্তানে একটি বৈঠকের আয়োজন করতে কাজ করছেন। মার্কিন প্রশাসনের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সিএনএনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বৈঠকের সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারী ও স্থান
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং সম্ভবত ট্রাম্প প্রশাসনের আরও কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার পাকিস্তানে যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, সফরের সময়সূচি, স্থান এবং কারা উপস্থিত থাকবেন, তাতে পরিবর্তন আসতে পারে। সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র জানায়, পাকিস্তানে সফরের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে তুরস্ককেও আলোচনার সম্ভাব্য স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতায় পাকিস্তান অন্যতম প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। ওয়াশিংটনের প্রস্তাবিত ১৫ দফার একটি পরিকল্পনা তারা ইরানের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। এই প্রস্তাবে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে এ প্রক্রিয়ায় তুরস্কও সক্রিয় ভূমিকা রাখছে বলে জানা গেছে।
হোয়াইট হাউসে চলমান আলোচনা
মার্কিন প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা জানান, সফর–সংক্রান্ত আলোচনা গতকাল বুধবারও হোয়াইট হাউসে চলার কথা ছিল। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত মঙ্গলবার দাবি করেছেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, তাঁর জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বর্তমানে ইরানের সঙ্গে আলোচনার নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তবে রুবিও, কুশনার ও উইটকফও আলোচনার জন্য সম্ভাব্য পাকিস্তান সফরে যাবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
এই বৈঠকটি আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই উদ্যোগ ইরান সংকট নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মত দিচ্ছেন।



