ঈদে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন ধারা আশা ভারতীয় হাইকমিশনারের
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা আশা প্রকাশ করেছেন, এবারের ঈদুল ফিতর ভারত ও বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের নতুন ধারা উন্মোচন করবে। শনিবার (২১ মার্চ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কূটনৈতিকদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ আশার কথা জানান।
প্রণয় ভার্মার বক্তব্য
প্রণয় ভার্মা বলেন, “ঈদ এমনই একটি উৎসব যেখানে আমাদের সবাইকে কাছে নিয়ে আসে। এ উৎসব সবাইকে কাছে আসার সেতুবন্ধন তৈরি করে। আমি আশা করি, এ ঈদ ভারত ও বাংলাদেশের বন্ধুত্বের নতুন ধারা উন্মোচন করবে। আমাদের মানুষদের মধ্যে সংযোগ আরও বৃদ্ধি করবে।” তার মতে, ঈদের আনন্দময় পরিবেশ দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ককে আরও গভীর ও অর্থবহ করে তুলতে পারে।
অন্যান্য কূটনীতিকদের উপস্থিতি
ভারতীয় হাইকমিশনারের পাশাপাশি এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:
- যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিসেন্টসেন
- যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক
- সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া
- চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন
- পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার
এই কূটনীতিকরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এই সম্মিলিত উপস্থিতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের গুরুত্ব ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ব্যাপকতা তুলে ধরে।
ঈদের তাৎপর্য ও কূটনৈতিক প্রভাব
ঈদুল ফিতর শুধুমাত্র ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং এটি সামাজিক ও কূটনৈতিক বন্ধন সুদৃঢ় করার একটি অনন্য সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রণয় ভার্মার মন্তব্যে স্পষ্ট যে, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে ঈদের মতো উৎসবগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।



