যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের ঢাকা সফর শুরু, কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারে বৈঠক
পল কাপুরের ঢাকা সফর, কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারে বৈঠক

যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের ঢাকা সফর শুরু

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর আজ মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় পৌঁছেছেন। তিন দিনের এই সফরে তিনি ওয়াশিংটন-ঢাকা কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।

সফরের মূল উদ্দেশ্য ও কর্মসূচি

পল কাপুর গত অক্টোবরে ডোনাল্ড লুর উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম বাংলাদেশ সফর। স্থানীয় সময় রাত আটটার পর তিনি দিল্লি থেকে ঢাকায় পৌঁছান। খসড়া সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল বুধবার সকালে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

সন্ধ্যায় তিনি আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচেম) আয়োজনে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং নৈশভোজে অংশ নেবেন। সফরের শেষ দিনে পল কাপুর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং দুপুরে বিএনপির নেতাদের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বৈঠকের আলোচ্য বিষয় ও গুরুত্ব

বিকেলে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে আলোচনা করবেন। এদিন তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের মুখপাত্র পূর্ণিমা রায় জানান, পল কাপুরের সফরের মূল লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ কৌশলগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সফরকালে তিনি নতুন সরকারের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এই বৈঠকগুলোতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে (ভারত–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল) অভিন্ন স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। এই সফরটি দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।