ওআইসি নেতাদের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক: ফিলিস্তিন ইস্যু ও জাতিসংঘ প্রার্থিতায় আলোচনা
ওআইসি নেতাদের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

ওআইসি নেতাদের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক: ফিলিস্তিন ইস্যু ও জাতিসংঘ প্রার্থিতায় আলোচনা

সৌদি আরবের জেদ্দায় ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সচিবালয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সংস্থাটির শীর্ষ নেতাদের একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এই বৈঠকটি সংঘটিত হয়, যেখানে ফিলিস্তিন ইস্যু ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কারা?

এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, সৌদি আরবের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ওয়ালিদ এলখ্রেইজি, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। এছাড়াও, নির্বাহী পরিচালনা কমিটির চেয়ারপারসন ও গাম্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরিং মোদুউ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির নির্বাচনী বিজয়ে শুভেচ্ছা

বৈঠকে অংশগ্রহণকারী নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তারা তাদের বিশ্বাস প্রকাশ করেছেন যে, নতুন নেতৃত্বের অধীনে বাংলাদেশে শিগগিরই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং দেশটি উত্তরোত্তর উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ফিলিস্তিন ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান

ফিলিস্তিন ইস্যুতে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলে বৈঠকে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে। ওআইসি নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, বাংলাদেশ এই ইস্যুতে তার ঐতিহাসিক ও নৈতিক সমর্থন বজায় রাখবে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্ট পদে সমর্থন

বৈঠকের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের প্রেসিডেন্ট পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতায় ওআইসি নেতাদের সমর্থন। তারা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের প্রার্থিতাকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং এই পদে তার সফলতা কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য, আগামী ২ জুন নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে সাধারণ পরিষদ হলে সভাপতি পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এই বৈঠকটি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক ও ভূমিকা জোরদার করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।