ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বাংলাদেশের শপথ অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করবেন
ভারতের স্পিকার ওম বিড়লা বাংলাদেশের শপথ অনুষ্ঠানে

ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বাংলাদেশের শপথ অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করবেন

ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নবনির্বাচিত বাংলাদেশের সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারত সরকারের প্রতিনিধিত্ব করবেন। আজ রোববার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে, যা দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ভারতের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি। এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের অংশগ্রহণ ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গভীরতা ও গুরুত্বকে স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে, 'এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে স্পিকারের অংশগ্রহণ ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বকে তুলে ধরে। সেই সঙ্গে আমাদের দুই জাতিকে একত্রে আবদ্ধকারী গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি ভারতের অটল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।' এই মন্তব্য দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের উপর জোর দেয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকারকে ভারতের স্বাগত

অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে আবদ্ধ প্রতিবেশী হিসেবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে বাংলাদেশের উত্তরণকে ভারত স্বাগত জানায়। ভারতের সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারেক রহমানের দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধ দেশের জনগণের বিপুল সমর্থন লাভ করেছে, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই শপথ অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতার একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার জন্য এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের বিনিময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।