ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অভিযোগ করে বলেছেন, 'যখনই কোনও কূটনৈতিক সমাধান আলোচনার টেবিলে থাকে, তখনই যুক্তরাষ্ট্র একটি বেপরোয়া সামরিক অভিযান বেছে নেয়।' খবর বিবিসির।
আরাঘচির বক্তব্য
সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে আরাঘচি জানান, ইরান কোনও প্রেশারের কাছে নতি স্বীকার করবে না। হরমুজ প্রণালিতে হামলা পাল্টা হামলার অভিযোগের পরই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই মন্তব্য করলেন।
ট্রাম্পের দাবি
সংঘর্ষ সত্ত্বেও ট্রাম্প দাবি করছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। এটি এমনভাবে পরিকল্পিত যাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ফেব্রুয়ারিতে শুরু করা যুদ্ধ শেষ করার জন্য আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়।
ইরানের মতামত
বিবিসি বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবনার বিষয়ে আগামী শুক্রবার নিজেদের মতামত দেবে ইরান। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই তথ্য জানিয়েছেন। ইতালি সফরের সময় রুবিও বলেন, 'আমি আশা করি, এটি একটি গুরুতর প্রস্তাব, সত্যিই তাই।'
হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। আর এটি বন্ধ হয়ে গেলে তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। প্রণালিটি এখনও নিয়ন্ত্রণে রেখেছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে তাদের মিত্রদের ওপর হামলা চালাচ্ছে তেহরান।
মার্কিন অভিযান
চলতি সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প একটি মার্কিন সামরিক অভিযান শুরু করেন এবং খুব দ্রুতই তা স্থগিত করেন। ওই অভিযানের লক্ষ্য ছিল, ফেব্রুয়ারি থেকে ওই অঞ্চলে আটকে থাকা প্রায় দুই হাজার জাহাজকে মুক্ত করতে সহায়তা করা।
নৌ অবরোধ
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরে নৌ অবরোধ বজায় রেখেছে, যাতে তেহরানকে শর্ত মানতে চাপ দেওয়া যায়। এই পদক্ষেপটি ইরানের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
তেলবাহী জাহাজ জব্দ
গতকাল শুক্রবার ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ইরানের পতাকাবাহী দু’টি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করেছে। এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, মার্কিন বাহিনী ইরানের বন্দরে প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হওয়া ৭০টিরও বেশি ট্যাঙ্কারকে বাধা দিচ্ছে।



