কুয়েত ও বাহরাইনে চালানো সাম্প্রতিক হামলাকে ‘আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে এর পক্ষে সাফাই গেয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ইরানি বাহিনী মূলত সেসব স্থাপনাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে যা মার্কিন বাহিনী বেসামরিক নৌ চলাচলে আক্রমণ করতে এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করতে ব্যবহার করে থাকে।
কুয়েতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশটির দিকে ধেয়ে আসা ৩০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার খবরের পরপরই ইরানের পক্ষ থেকে এমন দাবি করা হলো। উল্লেখ্য, কুয়েতের একটি বিমানবন্দরে চালানো ওই হামলায় একজন নিহত এবং আরও ডজনখানেক মানুষ আহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার পোস্টে আরও বলেন, নিষেধাজ্ঞা ও যুদ্ধ যা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে, তা যুদ্ধ আরও বাড়িয়ে কোনোভাবেই জয় করা যাবে না।
ইরানের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার ঘটনায় ইরানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ইরান দাবি করছে, তাদের হামলা শুধুমাত্র সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সীমাবদ্ধ ছিল এবং বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে তারা সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে।
সূত্র: আল জাজিরা



