অভিন্ন নদীর পানিবণ্টনে আন্তর্জাতিক আইন অনুসরণের দাবি জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। ফারাক্কা লংমার্চের ৫০ বছর উপলক্ষে ন্যায্য পানি অধিকার ও নদী রক্ষার দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানান তারা।
মানববন্ধনে বক্তারা
শনিবার (২৩ মে) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে নাগরিক সমাজের ব্যানারে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা বলেন, নদী বাঁচানো মানেই দেশ বাঁচানো। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদী শুকিয়ে যাওয়া এবং কৃষি ও জনজীবনে সংকট তৈরি হয়েছে। পানি অধিকারকে রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
রিভারাইন পিপলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনায় ভুটান ও নেপালসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে নিয়ে অববাহিকাভিত্তিক চুক্তি করতে হবে। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য কাজল দেবনাথ বলেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সব দেশের স্বার্থ রক্ষা করে ন্যায্য পানি বণ্টন নিশ্চিত করা জরুরি।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন নাগরিক উদ্যোগের নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন, গ্রিন বাংলা গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সভাপতি মোসাম্মৎ সুলতানা বেগম, স্টেপ টুওয়ার্ডস ডেভেলপমেন্টের পরিচালক রঞ্জন কর্মকার, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির সুমন, লেখক ও গবেষক পাভেল পার্থ এবং প্রাণ প্রকৃতি পরিবেশ প্রতিবেশ রক্ষা জাতীয় কমিটির মুখপাত্র ইবনুল সাঈদ রানা।
সংহতি ও দাবি
কর্মসূচিতে সংহতি জানায় অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ, নিজেরা করি, বেলা, ব্লাস্ট, সিসিডিবি, ইনসিডিন বাংলাদেশ, বারসিক, বাদাবন, গ্রীন ভয়েস, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, বনলতা নারী উন্নয়ন সংস্থা ও কেরানীগঞ্জ হিউম্যান রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি।
মানববন্ধন থেকে ১৬ মে ‘জাতীয় পানি অধিকার দিবস’ ঘোষণা, গঙ্গা-তিস্তাসহ সব আন্তঃসীমান্ত নদীর ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত এবং বড় প্রকল্প গ্রহণের আগে জনপরামর্শ বাধ্যতামূলক করার দাবিসহ ১০ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।



