জাতীয় সংসদে ঋণখেলাপি প্রসঙ্গে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার মন্তব্যকে ঘিরে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। রুমিন ফারহানা বলেন, ‘ঋণখেলাপিদের এই সংসদে দাঁড়িয়ে বলতে হচ্ছে, বাংলাদেশে মোট মন্দ ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা।’
সরকারি দলের অবস্থান
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংসদে কেউ ঋণখেলাপি নন। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী আদালতে ঋণখেলাপি সাব্যস্ত ব্যক্তিরা নির্বাচনে অযোগ্য। তিনি উল্লেখ করেন, কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যাংকের মামলা থাকলেও তা আদালতে নিষ্পত্তি হয়েছে।
বিরোধী দলের প্রতিক্রিয়া
বিএনপির ফজলুল হক মিলন রুমিনের বক্তব্য সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না, তাহলে সংসদ কীভাবে ঋণখেলাপিদের হয়?’
অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টির নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা সংসদকে সার্বভৌম বলছি, এখন যদি ঋণখেলাপিদের ঋণখেলাপি বলতে না পারি, তাহলে আর কোথায় বলব?’ তিনি বক্তব্য অপসারণের বিরোধিতা করেন।
রুমিন ফারহানার ব্যাখ্যা
পরে রুমিন ফারহানা তার বক্তব্য ব্যাখ্যা করে বলেন, টিআইবির তথ্য অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের কাছে ব্যাংকের পাওনা ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা। তিনি আইনজীবী হিসেবে ঋণ পুনঃতফসিল ও সিআইবি রিপোর্ট স্থগিতের কৌশল সম্পর্কে জানান।
এ সময় তার মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করা হয়।



