বাজেট আলোচনায় ৯ মিনিট বক্তৃতায় বাজেট নিয়ে কিছু বললেন না বিএনপি এমপি বাবু
বাজেট আলোচনায় বাজেট নিয়ে কিছু বললেন না বিএনপি এমপি বাবু

জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে বাজেট নিয়ে কোনো কথাই বলেননি জামালপুর-২ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য সুলতান মাহমুদ বাবু। সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদে এ ঘটনা ঘটে।

বক্তৃতায় কী বললেন এমপি বাবু?

এমপি বাবুকে প্রথমে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সাত মিনিট বরাদ্দ দেন। নির্ধারিত সময়ে তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণ, বৃদ্ধাশ্রম এবং নিজ নির্বাচনি এলাকা নিয়ে কথা বলেন। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, ‘আমি নিজ নির্বাচনি এলাকার মানুষের কাছে ফিরে যেতে চাই।’ এবং সময় বাড়ানোর আহ্বান জানান।

জবাবে স্পিকার বলেন, ‘আপনিতো বাজেট নিয়ে কোনো কথাই বলেন নাই।’ তাকে বাড়তি আরও দুই মিনিট সময় দিয়ে স্পিকার বলেন, ‘এই সময়ের মধ্যে বক্তব্য শেষ করুন।’ বাকি সময়েও তিনি বাজেট নিয়ে কোনো বক্তব্য দেননি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্পিকারের নির্দেশনা

দিনের কার্যক্রমের শুরুতে স্পিকার জানান, দ্বিতীয় অধিবেশনে এখন পর্যন্ত বিশেষ অধিকার প্রশ্নের বিষয়ে ছয়টি নোটিশ দেন সংসদ সদস্যরা। নোটিশে জামায়াতের এমপি মুজিবুর রহমান বলেন, ‘জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্যদের একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হওয়া খুবই প্রয়োজন। প্রায় চার মাস হতে চলল কিন্তু বেশিরভাগ সদস্যদের চেনা-জানা হয়নি। অনেক সময় চেহারা চিনলেও নাম ও সংসদীয় এলাকা জানা যাচ্ছে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘যখন টেলিভিশনে সংসদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়, তখন শুধু ছবি দেখা যায়, বক্তৃতা শোনা যায়। এখন থেকে যখন দৃশ্য দেখানো ও প্রচার কাজ চলবে, তখন ছবি ও চেহারার সঙ্গে টেলিভিশন স্ক্রিনে তার নাম ও সংসদীয় এলাকা ভেসে উঠলে সবার সঙ্গে পরিচিতি সহজ হয়ে যাবে।’ এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

জবাবে স্পিকার বলেন, ‘মাননীয় সদস্যের এ বক্তব্য খুবই যুক্তিযুক্ত। আমি সংসদ সচিবালয়কে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিচ্ছি।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রভাব

এমপি বাবুর বক্তব্য বাজেট আলোচনার মূল উদ্দেশ্য থেকে বিচ্যুত হয়েছে বলে স্পিকার মন্তব্য করেন। সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে বাজেট বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করার ঘটনা বিরল। এ ঘটনা সংসদীয় শিষ্টাচার ও আলোচনার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।