নাহিদ ইসলামের সংসদে যাওয়ার কারণ: রাষ্ট্রপতির অপসারণ ও সংবিধান সংস্কারের দাবি
নাহিদ ইসলামের সংসদে যাওয়ার কারণ: রাষ্ট্রপতির অপসারণ দাবি

রাষ্ট্রপতির অপসারণ ও গ্রেফতারের দাবিতে নাহিদ ইসলামের বক্তব্য

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজশাহী টিটিসি মাঠে এনসিপির বিভাগীয় ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন।

সংসদে যাওয়ার প্রকৃত উদ্দেশ্য

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ১২ মার্চ সংসদের অধিবেশনে ফ্যাসিস্টের দোসরের বক্তব্য শোনার জন্য তারা সংসদে যাচ্ছেন না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচনে 'হ্যাঁ'-এর পক্ষে ভোট দিয়েছেন, এবং সংস্কারের পক্ষকে বাস্তবায়নের জন্যই তারা সংসদে উপস্থিত হবেন

ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, রাষ্ট্রপতিকে অবিলম্বে অপসারণ করে গ্রেফতারের আওতায় আনা এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা জরুরি। তিনি গণভোটের 'হ্যাঁ' রায় বাস্তবায়ন এবং সংস্কার ও বিচারের পক্ষে লড়াই অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা

ইফতারের আগে এই অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন:

  • এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী
  • উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম
  • রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন
  • রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল
  • মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক

এনসিপির রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন সভাপতিত্ব করেন, এবং মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাইন উদ্দিন, এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব মাহিন সরকার, তাহসিন রিয়াজ, সাইফ মুস্তাফিজ, যুবশক্তির আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম এবং নারীশক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন উল্লেখযোগ্য।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অংশগ্রহণ ও প্রেক্ষাপট

এই ইফতার অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার এনসিপি, যুবশক্তি ও নারীশক্তির প্রায় দুই হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সূচনা করেছে, যেখানে সংবিধান সংস্কার এবং রাষ্ট্রপতির ভূমিকা কেন্দ্রীয় বিষয় হয়ে উঠেছে।