থানায় দালালি বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি: এমপি আজহারুলের নির্দেশনা
থানায় দালালি বন্ধে এমপি আজহারুলের কঠোর হুঁশিয়ারি

থানায় দালালি বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি: এমপি আজহারুলের নির্দেশনা

রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম থানাকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করতে দালালি চলতে দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি অসাধু ব্যক্তিদের থানার নাম ব্যবহার করে টাকা আদায় ও দালালির মাধ্যমে হয়রানির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

ইফতার মাহফিলে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা

শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকালে বদরগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজের হলরুমে পেশাজীবীদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে এমপি আজহারুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, ‘অনেক সময় কিছু অসাধু ব্যক্তি থানার নাম ভাঙিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায়ের চেষ্টা করে এবং নানা ধরনের দালালির মাধ্যমে হয়রানি করে থাকে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।’

তিনি থানা কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে দ্রুত ও কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন। এমপি আজহারুল ইসলামের এই হুঁশিয়ারি স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে থানা-কেন্দ্রিক দালালি সমস্যায় ভুগছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার প্রতিক্রিয়া

এ বিষয়ে বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদ হাসান সরকার বলেন, ‘থানায় সেবা নিতে আসা মানুষের কাছ থেকে কেউ দালালি বা অবৈধভাবে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ তিনি থানায় সেবা নিতে আসা মানুষকে কোনো ধরনের মধ্যস্থতাকারীর কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেন।

জাহিদ হাসান সরকার আরও উল্লেখ করেন, ‘থানায় যেকোনো সেবা সরাসরি দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের কাছ থেকে গ্রহণ করতে হবে। কোনো ব্যক্তি যদি থানার নাম ব্যবহার করে দালালি বা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তাহলে বিষয়টি দ্রুত পুলিশকে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।’

দালালি প্রতিরোধে করণীয়

থানা-কেন্দ্রিক দালালি ও হয়রানি প্রতিরোধে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হয়েছে:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • সেবা গ্রহণকারীদের সরাসরি থানা কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করতে উৎসাহিত করা।
  • দালালি সন্দেহে জরুরি নম্বরে প্রতিবেদন করার ব্যবস্থা চালু করা।
  • থানা প্রাঙ্গণে সচেতনতামূলক পোস্টার ও নির্দেশিকা প্রদর্শন করা।
  • স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমের সাথে সমন্বয় করে গণসচেতনতা বৃদ্ধি করা।

এমপি আজহারুল ইসলামের এই উদ্যোগ এবং থানা কর্তৃপক্ষের দৃঢ় অবস্থান সাধারণ মানুষের মধ্যে আশার আলো জাগিয়েছে। তারা আশা করছেন, এর ফলে থানা-কেন্দ্রিক দালালি ও হয়রানি দ্রুত বন্ধ হবে এবং নাগরিক সেবা প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর হবে।