রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে বিএনপি নেতা রাশেদ খানের আহ্বান: বিরোধিতা নয়, ভুল স্বীকার করুন
রাষ্ট্রপতির ভাষণে বিরোধিতা নয়, ভুল স্বীকারের আহ্বান

রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে বিএনপি নেতার আহ্বান: বিরোধিতা নয়, ভুল স্বীকার করুন

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের বিরোধিতা না করে ভুল স্বীকার ও দুঃখ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। তিনি বলেন, 'আপনারাই তো তাকে ভাষণ দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। এখন বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা না করে বাস্তবতা মেনে নিয়ে গঠনমূলক পরামর্শ দিলেই বরং বেটার এবং ভুল স্বীকার করে দুঃখপ্রকাশ করা উচিত।'

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খানের বক্তব্য

বুধবার (৪ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেছেন তিনি। পোস্টের শুরুতে রাশেদ খান বলেন, 'সংসদ অধিবেশন কোনোভাবেই বর্তমান রাষ্ট্রপতির ভাষণ দিয়ে শুরু হতে পারে না! জনগণ তো সেটিই চেয়েছিল। কিন্তু ৮ আগস্ট রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ নিয়ে রাষ্ট্রপতির পুনর্জীবন দেওয়া হয়েছে বা বৈধতা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। জনগণ কি সেটি চেয়েছিল?'

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করা এ নেতা আরও বলেন, '৮ আগস্ট সংবিধান মেনে শপথ করে সংবিধানেরও বৈধতা দিয়ে দিয়েছেন। আপনাদের এই ভুলের খেসারত দিতে হচ্ছে বিএনপিকে। সেই নিজেদের দোষ ঢাকার জন্য জনগণের সামনে ধোয়া তুলিস পাতা সেজে বসে আছেন। আর সব দোষ দিচ্ছেন বিএনপিকে..! আপনারা বাসর রাতে বিড়াল মারতে পারেননি, সেই ব্যর্থতা ঢাকতে এখন কতশত চটকদার বক্তব্য!'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাষ্ট্রপতির শপথ নিয়ে সমালোচনা

রাশেদ খান তার বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন, 'সংবিধান মেনে রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ নেওয়ার জন্য আপনাদের যুক্তি হলো, আপনারা শপথ না নিলে আর্মি ক্ষমতা দখল করে নিতো! আর্মির জুজুর ভয় দেখিয়ে তো আপনারা রাষ্ট্রে ক্যু করে ১৮ মাস সংস্কার ও বিচারের জন্য সময় নিলেন। কিন্তু সংস্কারের নামে দেশে কি করেছেন, সেটা কি কারো অজানা!'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা না করে বাস্তবতা মেনে নেওয়া এবং গঠনমূলক পরামর্শ দেওয়াই এখন সময়ের দাবি। এই অবস্থানে তিনি বিএনপির ভূমিকা ও সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।

রাশেদ খানের এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, বিশেষ করে সংসদীয় প্রক্রিয়া ও রাষ্ট্রপতির ভূমিকা নিয়ে চলমান বিতর্কের প্রেক্ষাপটে। এটি বিএনপির অভ্যন্তরীণ অবস্থান ও সরকারের প্রতি তাদের সমালোচনার একটি স্পষ্ট প্রতিফলন হিসেবে দেখা যাচ্ছে।