নতুন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার শপথ মঙ্গলবার, সার্ক পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ
নতুন সংসদ ও মন্ত্রিসভার শপথ মঙ্গলবার, সার্ক আমন্ত্রণ

নতুন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান মঙ্গলবার

আগামী মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বিজয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল আজ রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও জানান, বিকেল চারটায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়ানো হবে। শপথ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শপথ অনুষ্ঠানের বিস্তারিত সময়সূচি

আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বক্তব্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান শুরু হবে। খুব সম্ভবত প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়াবেন বলে তিনি জানান। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বেলা সাড়ে ১১টা বা ১২টার দিকে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করা হবে। বিকেল চারটায় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। তিনি উল্লেখ করেন, এখন পর্যন্ত তাঁর জানামতে, এই শপথ রাষ্ট্রপতি পড়াবেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ী বৈঠক

আজ সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের শেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আইন উপদেষ্টা বলেন, আজকের বৈঠকটি ছিল বিদায়ী বৈঠক, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। উপদেষ্টারা নিজেদের কাজকর্ম ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করেছেন। এ ছাড়া শপথ অনুষ্ঠান সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সার্কভুক্ত দেশগুলোর আমন্ত্রণ

শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ সম্পর্কে আইন উপদেষ্টা বলেন, প্রথা অনুযায়ী যাঁদের আমন্ত্রণ জানানোর কথা, সেটাই করা হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই বিষয়টি দেখছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ সম্পর্কে তাঁর জানা নেই। তিনি শুধু আজ শুনেছেন যে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সার্কভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কোনো প্রধানমন্ত্রীর ব্যাপারে তিনি কোনো তথ্য জানেন না।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথের স্থান

সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ অনুষ্ঠানের বিষয়টি বিএনপির পক্ষ থেকে অভিব্যক্ত করা হয়েছে বলে আইন উপদেষ্টা জানান। এটি সরকারি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নতুন সরকার গঠনের এই ধাপগুলো দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।