সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা: বিএনপি-জামায়াতের বাইরে তিন প্রার্থী
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন: বিএনপি-জামায়াতের বাইরে তিন প্রার্থী

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা: বিএনপি-জামায়াতের বাইরে তিন প্রার্থী

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও স্বতন্ত্র জোটের বাইরে আরও তিনজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এই তিন প্রার্থী হলেন শামীমা আক্তার, মোসাম্মৎ মেহেরুন নেসা এবং মাহবুবা রহমান।

মনোনয়নপত্র জমার পরিসংখ্যান

রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান উল্লেখ করেন, বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিএনপি ও তাদের জোট থেকে মোট ৩৬টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোট থেকে জমা হয়েছে ১৩টি মনোনয়নপত্র। স্বতন্ত্র জোট থেকে একটি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সুলতানা জেসমিন।

দল–জোটের বাইরে জমা দেওয়া তিন প্রার্থীর বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রিটার্নিং কর্মকর্তা স্পষ্ট করেন, তারা কোনো রাজনৈতিক দল বা জোটের হয়ে নয়, বরং ব্যক্তিগত উদ্যোগে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তিনি আরও যোগ করেন, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষে তাদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময়সূচি

নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয়েছে, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম ২২ ও ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী:

  • ২২ এপ্রিল: বেলা ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত যাচাই-বাছাই চলবে।
  • ২৩ এপ্রিল: সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চালু থাকবে।

বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকবে ২৬ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। এছাড়া, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ এপ্রিল বিকেল ৪টা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

যাচাই-বাছাইয়ের ধারাবাহিকতা

রিটার্নিং কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, প্রথম দিন অর্থাৎ ২২ এপ্রিল জামায়াতে ইসলামী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই করা হবে। পরের দিন ২৩ এপ্রিল বিএনপি ও তাদের জোটের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। এই প্রক্রিয়া নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।