হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ‘ডিউটি রোস্টার’ নিয়ে গত ৩ মে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলা ট্রিবিউন। ‘বিমানবন্দরের কার্গোতে ‘রোস্টার বাণিজ্য’, মাসে আয় লাখ লাখ টাকা’ শিরোনামে প্রকাশিত সেই সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কার্গোতে কর্মরত কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী।
প্রতিবাদলিপি
সাদা কাগজে পাঠানো প্রতিবাদলিপিতে সই করেছেন ইকবাল বিন আবেদ, এবাদন হোসেইন, আনোয়ার, মোন্তাসার রহমান, কে এম শাহাজালাল, মিজানুর রহমান, জুবায়েল ইসলাম, মোস্তফা কামাল, এস এম জোবায়েদ, তাহমিদুল ইসলাম, শাওন আহমেদ রাজু, শাহাদাত হোসেইন ও সুজন নামে ১৩ জন। তারা প্রত্যেকেই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কার্গোতে কর্মরত বলে প্রতিবাদলিপিতে দাবি করা হয়েছে।
দাবি
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা দৃঢ়চিত্তে বলতে চাই, কার্গোতে কোনওরূপ দুর্নীতি, অন্যায়ের সঙ্গে আমরা জড়িত নই। আমরা বিমান ম্যানেজমেন্টের যেকোনও যৌক্তিক এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের সঙ্গে (যেমন: কার্গো অগ্নিকাণ্ডের পর বিভিন্ন কার্যকরী সিদ্ধান্ত, অটোমেশন, গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং ইত্যাদি) আমরা সবাই সবসময় একমত রয়েছি এবং সর্বদা সহযোগিতা করে আসছি।’
বাংলা ট্রিবিউনের রিপোর্টে বলা হয়েছে, বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রোস্টার ব্যবস্থাপনায় ‘অটোমেশন সিস্টেম’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ প্রসঙ্গে প্রতিবাদকারীরা সাধুবাদ জানিয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। সংবাদটিকে ‘চক্রান্ত’ উল্লেখ করে এর জোর প্রতিবাদ জানান তারা।
প্রতিবেদকের বক্তব্য
সংবাদের সব তথ্যই বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তের সূত্র ধরে প্রকাশ করা হয়েছে এবং তা যথাযথভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও অভিযুক্ত হিসেবে যাদের নাম প্রকাশ হয়েছে, তাদের মধ্যে দুইজন কর্মকর্তার বক্তব্যও প্রকাশ করা হয়েছে। সংবাদটিতে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনো মতামত প্রকাশিত হয়নি।



