দুদকের অনুসন্ধানে এলজিইডির সাবেক প্রকল্প পরিচালক মঞ্জুর আলী
দুদকের অনুসন্ধানে এলজিইডির সাবেক পিডি মঞ্জুর আলী

নিয়োগ ও টেন্ডার বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) আওতাধীন রিজিলিয়েন্ট আরবান অ্যান্ড টেরিটোরিয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (আরইউটিডিপি) সাবেক প্রকল্প পরিচালক (পিডি) প্রকৌশলী মো. মঞ্জুর আলীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের নতুন কমিশন গঠনের পর তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করা হতে পারে।

অভিযোগের বিবরণ

দুদক সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে মঞ্জুর আলীর পিআরএল শুরু হলেও সম্প্রতি তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগসংক্রান্ত একটি ফাইল স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবের দফতরে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, পিআরএলে যাওয়ার আগে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে প্রায় ২৫০ জন কর্মী নিয়োগে বড় অঙ্কের ঘুষ লেনদেন হয়েছে। পাশাপাশি কনসালটেন্ট নিয়োগ, টেন্ডার প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন পদে নিয়োগে অনিয়মের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। কিছু ক্ষেত্রে ভুয়া হাজিরা দেখিয়ে বেতন উত্তোলন এবং প্রকল্পবহির্ভূত ব্যক্তিদের প্রকল্পে নিয়োজিত দেখানোর অভিযোগও রয়েছে।

অতিরিক্ত অভিযোগ

এছাড়া এমজিএসপি প্রকল্পে দায়িত্ব পালনকালে উদ্বৃত্ত অর্থ ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগও দুদকে জমা পড়েছে। অভিযোগের অর্থে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ফ্ল্যাট, প্লট ও জমি কেনার বিষয়েও অনুসন্ধান চলছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দুদকের বক্তব্য

এই বিষয়ে জানতে চাইলে দুদকের উপ-পরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা আজিজুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, অভিযোগের বিষয়ে একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহে বিভিন্ন দফতরে চিঠি পাঠানো হয়েছে এবং নিয়োগ ও কনসালটেন্সি-সংক্রান্ত নথিপত্রও সংগ্রহ করা হয়েছে। অনুসন্ধান শেষ পর্যায়ে আছে। নতুন কমিশন গঠন হলেই এই বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ