ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পবিত্র ঈদুল আজহার দিন কুরবানির মাংস মসজিদে রাখা হবে নাকি বাড়িতে নেওয়া হবে, তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
সংঘর্ষের ঘটনা
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার আলগী ইউনিয়নের পূর্ব আড়ুয়াকান্দী গ্রামে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
দুই পক্ষের নেতৃত্ব
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের জামাত শেষে কুরবানির গোশত সংরক্ষণ নিয়ে গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পক্ষের নেতৃত্ব দেন আবু বকর মুন্সী এবং অপর পক্ষের নেতৃত্ব দেন কামরুজ্জামান সম্রাট। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
আহত ও চিকিৎসা
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহতদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশের ব্যবস্থা
খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ঘটনার পর পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
ভাঙ্গা থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, সকালে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। মাংস রাখাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। দুই পক্ষকে ডাকা হয়েছে, বসে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।



