জিয়াউর রহমান-খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় ছাত্রদলের বিশেষ আয়োজন
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় একটি দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছে। এই অনুষ্ঠানটি রোববার (৮ মার্চ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়, যা কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি এইচ এম আবু জাফরের উদ্যোগে সম্পন্ন হয়েছে।
দোয়া মোনাজাত ও খাবার বিতরণ
ইফতারের পূর্বে খালেদা জিয়া ও জিয়াউর রহমানের আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। এছাড়াও, রাতের বেলায় শাহবাগ, পান্থপথ এবং কাকরাইল এলাকায় ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের মধ্যে খাবার বিতরণের কার্যক্রম চালানো হয়, যা সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে বিবেচিত।
আবু জাফরের বক্তব্য ও ছাত্রদলের ভূমিকা
আবু জাফর তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সর্বদা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলকে মাতৃস্নেহে লালন-পালন করেছেন। তার অকৃত্রিম স্নেহ, দিকনির্দেশনা এবং বলিষ্ঠ নেতৃত্বের ফলস্বরূপ ছাত্রদল আজ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ও প্রভাবশালী ছাত্রসংগঠনে পরিণত হয়েছে। তিনি আরও জানান, খালেদা জিয়ার প্রদর্শিত পথ অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ছাত্রদল নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, "বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমান একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও আধুনিক স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার অভিপ্রায়ে নিরলসভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। দেশের জনগণের ভাগ্যোন্নয়ন ও জীবনমান বৃদ্ধির জন্য তিনি ইতোমধ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তারেক রহমানের উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ছাত্রদল একটি সহযোগী শক্তি হিসেবে ভূমিকা পালন করবে।"
অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতাকর্মীবৃন্দ
এই দোয়া ও ইফতার মাহফিলে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদক বায়েজিদ হুসাইন, ফারহান আরিফ, সায়রা চাকমা সারা, সহসাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সাইদুর রহমান সাঈদ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত সারজু, জিয়াউল হক জিয়া, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইজাবুল মল্লিক, শাকিতুল ইসলাম শাকিলসহ কয়েক শতাধিক নেতা ও কর্মী অংশগ্রহণ করেন।
এই আয়োজনটি রাজনৈতিক সংগঠনের পাশাপাশি সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতির একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা দেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সূত্রপাত করেছে।



