বিএনপির চরম ব্যর্থতা হবে বিডিআর হত্যার বিচার না করা: জামায়াত আমির
বিএনপির ব্যর্থতা হবে বিডিআর হত্যার বিচার না করা

বিএনপির চরম ব্যর্থতা হবে বিডিআর হত্যার বিচার না করা: জামায়াত আমির

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিএনপি সরকার যদি বিডিআর হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে না পারে, তবে এটি তাদের চরম ব্যর্থতা হবে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত শেষে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

পিলখানা ট্র্যাজেডি: একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র

ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে যা ঘটেছিল, তা মূলত দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে সামরিকভাবে দুর্বল করার এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ছিল। তিনি বলেন, "পিলখানায় যাদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের আগে থেকেই পরিকল্পনা করে টার্গেট করা হয়েছিল। এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন, তৎকালীন সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্র ছিল, এবং সে কারণেই প্রকৃত তদন্ত প্রতিবেদন আজও জনসমক্ষে আনা হয়নি। তিনি অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত এবং নেপথ্যে থাকা প্রধান ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর

বুধবার ছিল পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি দেশের বিভিন্ন স্থানে একযোগে তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) সদস্যদের বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ ও নির্মম হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয় রাজধানী ঢাকার পিলখানায় অবস্থিত বিডিআর সদর দপ্তরে। এ ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন সেদিন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক শাকিল আহমেদ। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই বিদ্রোহকে অন্যতম নৃশংস ও হৃদয়বিদারক ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাষ্ট্রীয় নেতাদের শ্রদ্ধা

এর আগে সকাল ১০টায় পিলখানা ট্র্যাজেডির শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগী এবং তিন বাহিনীর প্রধান উপস্থিত ছিলেন।

গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছর বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভীষিকাময় ও শোকাবহ দিনটি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়। এই প্রেক্ষাপটে জামায়াত আমিরের বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার সূত্রপাত করেছে।