রাঙ্গামাটিতে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি
রাঙ্গামাটিতে ছাত্রদল সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি

সোমবার রাঙ্গামাটিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের (জেসিডি) নতুন জেলা কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর মধ্যে সহিংস সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে।

প্রশাসনের পদক্ষেপ

বিকেলে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিন স্বাক্ষরিত এক আদেশে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়। পরিস্থিতি আরও অবনতি রোধ করতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

সংঘর্ষের সূত্রপাত

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন কমিটি ঘোষণার পরপরই অসন্তোষ শুরু হয়। কমিটিতে স্থান না পাওয়ায় বাদ পড়া নেতা-কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিবাদ দ্রুত রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সকালে বিরোধী কর্মীরা বনরূপা ও কাঠালতলী এলাকায় অবস্থান নেয়। তাদের হাতে লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র ছিল। নতুন কমিটির সমর্থকরা রাঙ্গামাটি পৌরসভা চত্বর থেকে দলীয় কার্যালয়ের দিকে বিজয় মিছিল বের করলে পরিস্থিতি চরমে ওঠে। সেখানে বিরোধী পক্ষ ইতিমধ্যে অবস্থান ধর্মঘট করছিল।

সংঘর্ষের ঘটনা

দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে তাড়া-তাড়ি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মোতায়েন

পুলিশ ও সেনাবাহিনীসহ নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন করা হয়। পরে পৌরসভা, বনরূপা ও কাঠালতলী এলাকায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়।

ছাত্রদল নেতার বক্তব্য

জেসিডি নেতা অলি আহাদ বলেন, আট বছর পর কমিটি গঠন করা হয়েছে। আংশিক কাঠামোয় সবাইকে স্থান দেওয়া সম্ভব হয়নি। বাদ পড়া সদস্যদের ভবিষ্যতে সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে বিবেচনা করা হবে। তিনি দাবি করেন, অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ সত্ত্বেও ইউনিট ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের বক্তব্য

সহকারী পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জননিরাপত্তা ও আরও সংঘর্ষ রোধে ১৪৪ ধারা বলবৎ রাখা হয়েছে।