দেশের উন্নয়নে প্রকৌশলীদের অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার
দেশের উন্নয়নে প্রকৌশলীদের অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান

দেশের উন্নয়নে প্রকৌশলীদের অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে প্রকৌশলী, স্থপতি এবং পরিকল্পনাবিদদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। তিনি শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর আল ফালাহ মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

এফইএবি-এর উদ্যোগে মতবিনিময় সভা

দ্য ফোরাম অব ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টস, বাংলাদেশ (এফইএবি)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন এফইএবি-এর সভাপতি প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা। সঞ্চালনা করেন এফইএবি ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট প্রকৌশলীরা অংশগ্রহণ করেন এবং টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রকৌশলীদের মেধা ও দেশপ্রেমের গুরুত্ব

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একটি সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে প্রকৌশলী, পরিকল্পনাবিদ ও স্থপতিদের মেধা ও দেশপ্রেমের বিকল্প নেই। তিনি দক্ষ জনশক্তি ও আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে একটি উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার আহ্বান জানান।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার সমালোচনা

তিনি আরও বলেন, প্রকৌশলীরা জাতির কারিগর। অতীতে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে বহু উন্নয়ন প্রকল্প ব্যাহত হয়েছে। ভবিষ্যতে সততা, জবাবদিহিতা ও পেশাগত নিষ্ঠার মাধ্যমে প্রকৌশলীদের দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রযুক্তি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ওপর জোর

ডা. শফিকুর রহমান প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসার, উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বেকারত্ব হ্রাস করা সম্ভব। তিনি প্রকৌশলীদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার পরামর্শ দেন।

সভায় অংশগ্রহণকারীদের মতামত

সভায় অংশগ্রহণকারী প্রকৌশলীরা দেশের টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সমন্বিত ও ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা প্রকৌশল খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সহযোগিতার আহ্বান জানান।