জাতীয় নাগরিক পার্টির নাহিদ ইসলামের বক্তব্য: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের হয়রানির চেষ্টা নিন্দা
জুলাই গণঅভ্যুত্থান নেতাদের হয়রানির চেষ্টা নিন্দা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের হয়রানির চেষ্টা নিন্দা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের চেষ্টাকে ‘উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়’ বলে অভিহিত করেছেন। শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন।

আইনি পদক্ষেপে আন্দোলন দমন সম্ভব নয়

নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেছেন যে, আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্বকে দমন করা যাবে না। তিনি বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ তরুণ প্রজন্মের সমতা, ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা, গণতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

৫ আগস্টের পরাজিত শক্তির ষড়যন্ত্র

তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনে জড়িত ছাত্রনেতাদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের চেষ্টা প্রমাণ করে যে, ৫ আগস্টে পরাজিত শক্তিগুলো এখনও নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। নাহিদ ইসলাম জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদসহ অন্যান্য নেতার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের সময় তাদের ভূমিকার জন্য মামলা দায়েরের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে আদালত সেই মামলা গ্রহণ করেননি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাজনৈতিক এজেন্ডার অংশ

হয়রানির এই চেষ্টাকে বৃহত্তর রাজনৈতিক এজেন্ডার অংশ হিসেবে বর্ণনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এটি কোনো ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্ন পদক্ষেপ নয়, বরং জুলাই বিপ্লবের চেতনা, ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রাম ও তার তরুণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হামলা।’

তিনি দৃঢ়ভাবে জানান, আইনি ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে আন্দোলনের নেতৃত্বকে দমন করার পূর্ববর্তী প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা ব্যর্থ হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সরকারের প্রতি আহ্বান

নাহিদ ইসলাম সরকার ও সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের কাছে এমন চেষ্টা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি যোগ করেন, ‘পরাজিত দুষ্ট শক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর কোনো ধরনের বিধ্বংসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

তার এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার সূত্রপাত করেছে এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।