ভারত সীমান্তে পুশইন ইস্যুতে জাতীয় সংসদে প্রস্তাব (সাধারণ) আকারে আলোচনার কার্যক্রম স্থগিত করা নিয়ে সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান।
আলোচনার প্রক্রিয়া
কার্যপ্রণালী বিধির প্রস্তাব (সাধারণ) বিধি-১৪৭ অনুসারে এ বিষয়ে রবিবার (১৪ জুন) সংসদে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। বৃহস্পতিবারের (১১ জুন) সংসদের দিনের অধিবেশনের মূলতবির পর রবিবারের (১৪ জুন) কার্যসূচিতে বিষয়টি উল্লেখ ছিল। প্রস্তাবটি এনেছিলেন আহমদ বিন কাসেম। তবে রবিবার সকালে দেওয়া নতুন কার্যসূচিতে বিষয়টি রাখা হয়নি।
প্রস্তাবের বিবরণ
আহমদ বিন কাসেমের প্রস্তাবে বলা হয়, “দেশের সার্বভৌমত্ব, নাগরিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার রক্ষার স্বার্থে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) অবৈধ পুশইন, সীমান্ত হত্যা এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রকাশ্য ঘোষিত পুশইন তৎপরতার ক্রমবর্ধমান প্রবণতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা গ্রহণ অপরিহার্য। তাই বিষয়টি জাতীয় সংসদে আলোচনার দাবি জানানো হয়।”
সংসদে বক্তব্য
রবিবার (১৪ জুন) বিকালে সংসদের অধিবেশনের শুরুতে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে আহমদ বিন কাসেম বলেন, তিনি সীমান্ত হত্যা ও পুশইন সংক্রান্ত একটি বিশেষ আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সংসদের মূলতবি শাখা থেকে তাকে জানানো হয়, বিষয়টি আজ আলোচনার জন্য গৃহীত হয়েছে এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু পরে জানানো হয়, অনিবার্য কারণবশত প্রস্তাবটি স্থগিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “জনগণের রক্তের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কী থাকতে পারে যে এত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, যা কোনও দলীয় এজেন্ডা নয়, সেটি অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হলো? এটি কবে আবার আলোচনার জন্য নির্ধারণ করা হবে?”
ডেপুটি স্পিকারের জবাব
জবাবে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, “নোটিসটি তার সামনেও এসেছে। স্থগিত একটা টেম্পোরারি একটা মেজার। বাজেট অধিবেশন চলছে। আমাদের সময়ের সীমাবদ্ধতা আছে। ইট ইজ ভেরি ফান্ডামেন্টাল পার্ট। আমরা প্রত্যাশা করছি, স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার পূর্বক কোন এক সময় নোটিসের ওপর আলোচনা হবে।”



