জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাগ্য পরিবর্তনের ডাক
জামায়াতের ইফতারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য

জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাগ্য পরিবর্তনের ডাক

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেছেন। শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে তিনি দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য এখনই সম্মিলিতভাবে কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন।

দেশের মানুষের আশা ও প্রত্যাশার কথা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, দেশের মানুষ অত্যন্ত আশা ও প্রত্যাশা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে তাকিয়ে রয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এখনই সময় এসেছে এই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করার। তিনি উপস্থিত সকলকে আল্লাহর নামে শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান যাতে আগামী দিনের সকল কাজ কেবলমাত্র দেশবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যেই পরিচালিত হয়।

গণতন্ত্রের যাত্রা ও আত্মত্যাগের স্মরণ

প্রধানমন্ত্রী সাম্প্রতিক নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমেই বাংলাদেশে গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, এই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশের মানুষ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে নানাবিধ অত্যাচার, নির্যাতন, গুম ও খুনের শিকার হয়ে অকাতরে জীবন দিয়েছে। তাদের এই মহান আত্মত্যাগের ফলেই আজ দেশে ব্যক্তিস্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার সুযোগ ফিরে পাওয়া সম্ভব হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ধন্যবাদ ও দোয়ার আহ্বান

ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে, বিএনপি নেতা এবং তাঁর সফরসঙ্গীদের ইফতারের দাওয়াত দেওয়ার জন্য জামায়াতে ইসলামীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি সবাইকে আল্লাহর দরবারে রহমত কামনা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আল্লাহ যেন দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ও দেশের উন্নয়নে কাজ করার তৌফিক দান করেন। এই অনুষ্ঠানের ভিডিও জামায়াতে ইসলামীর ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এই ইফতার মাহফিলে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে নতুন আলোচনার সূত্রপাত করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের আয়োজন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে সংলাপ ও সহযোগিতার পরিবেশ তৈরিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে