বরিশালে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও নেতাদের ছবি ঝোলানো
বরিশালে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন

বরিশালে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও নেতাদের ছবি ঝোলানো

প্রায় ১৮ মাস ধরে তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকা বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সকালে শহরের ফেরিঘাট সড়কে অবস্থিত এই দলীয় কার্যালয়ের সামনে দুটি জাতীয় পতাকা বাঁশের লাঠির সাহায্যে লাগানো হয়, যার পাশেই ঝুলানো হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। এই ঘটনা স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।

ঘটনার বিবরণ ও প্রতিক্রিয়া

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, শুক্রবার ভোরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অজ্ঞাত নেতাকর্মীরা তাদের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে চলে যান। পরবর্তীতে, আত্মগোপনে থাকা বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এই ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করতে শুরু করেন, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তপ্ত বিতর্কের জন্ম দেয়।

বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান ঘটনাটির বিষয়ে জানান, "ঘটনার বিষয়টি আমরা অবগত আছি। আওয়ামী লীগের কেউ প্রকাশ্যে দায় স্বীকার করেননি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে। নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনটির নেতাকর্মীদের ওপর আমাদের বিশেষ নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পটভূমি ও পূর্ববর্তী অবস্থা

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে এই সংগঠনের নেতাকর্মীরা আত্মগোপনে চলে যান। এরপর থেকে বানারীপাড়া উপজেলা কার্যালয়টি তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল এবং দলীয় কার্যক্রম কার্যত বন্ধ ছিল। একপর্যায়ে কার্যালয়টি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে, যা স্থানীয় রাজনৈতিক অস্থিরতার ইঙ্গিত দেয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বর্তমান ঘটনাটি নিষিদ্ধ সংগঠনের সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের তদন্তের দিকে নজর রাখছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনা আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম ও স্থানীয় রাজনীতির গতিপ্রকৃতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে।