চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ফলক লাগানোর ভাইরাল ভিডিও: পুলিশ বলছে ভিত্তিহীন
চট্টগ্রামে আ.লীগ কার্যালয়ে ফলক লাগানো ভিডিও ভাইরাল

চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ফলক লাগানোর ভাইরাল ভিডিও: পুলিশ বলছে ভিত্তিহীন

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ফলক লাগানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বুধবার সকালে এই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে, যা আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল তার ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করেন। ভিডিওতে ‘চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের অফিস। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ বলে একটি বার্তা শোনা যায়।

ভিডিওর বিবরণ ও পুলিশের প্রতিক্রিয়া

ভাইরাল হওয়া দুটি ভিডিওর মধ্যে একটি ২০ সেকেন্ডের, যাতে দুজন ব্যক্তি কার্যালয়ের ফটক ও জানালার উপরে দুটি পরিচিতি ফলক সাঁটিয়ে দিচ্ছেন বলে দেখা যায়। অন্যটি ১ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডের, যেখানে জানালার উপরে থাকা ফলকে আসিফ মাহমুদ নামে একজনের নাম লেখা রয়েছে। ভিডিওতে নিজেকে মো. জসিম উদ্দিন জয় পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি দাবি করেন যে, শেখ হাসিনার নির্দেশে মহিবুল হাসান চৌধুরী ও যুবলীগ সদস্য আসিফ মাহমুদের তত্ত্বাবধানে দারুল ফজল মার্কেটে পুনরায় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয় শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানার ওসি মো. আফতাব উদ্দিন বলেন, ‘ভিডিওটি দেখে থানার একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়েছে। তবে কার্যালয়টি আগের অবস্থায় তালাবদ্ধ রয়েছে। কোনো ফলকও দেখা যায়নি। পরে আশপাশের ব্যবসায়ীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে; কিন্তু তারা কাউকে দেখতে পায়নি বলে জানিয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে’। পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ভিডিওতে দেখানো ফলক লাগানোর ঘটনা ভিত্তিহীন বলে মনে করা হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার প্রেক্ষাপট ও সম্ভাব্য প্রভাব

এই ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ফলক লাগানো নিয়ে ভাইরাল ভিডিওটি নিম্নলিখিত দিকগুলো তুলে ধরেছে:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • ভিডিওতে দেখা যায় দুজন ব্যক্তি ফলক লাগাচ্ছেন, যা কার্যালয়ের ফটক ও জানালায় স্থাপন করা হয়েছে।
  • ভিডিওতে উল্লিখিত ব্যক্তিরা শেখ হাসিনার নির্দেশের কথা বললেও, পুলিশের তদন্তে এর কোনো প্রমাণ মেলেনি।
  • স্থানীয় ব্যবসায়ীরা কাউকে দেখতে না পাওয়ায় ঘটনাটির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

পুলিশ এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং ভিডিওটির উৎস ও উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখছে। এই ঘটনা রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।