জামায়াতের নারী আসনে মনোনয়ন প্রক্রিয়া ভিন্ন, শহীদ পরিবারকে সম্মান দিতে জুলাই পরিবারের প্রতিনিধি
জামায়াতের নারী আসনে মনোনয়ন প্রক্রিয়া ভিন্ন, জুলাই পরিবারের প্রতিনিধি

জামায়াতে ইসলামীর নারী আসনে মনোনয়ন প্রক্রিয়া অনন্য: হামিদুর রহমান আযাদ

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ সংরক্ষিত নারী আসনে দলটির মনোনয়ন প্রক্রিয়া অন্যদের চেয়ে ভিন্ন বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, জামায়াতে কেউ আবেদন করে মনোনয়ন চায় না, বরং দল থেকেই মনোনয়ন দেওয়া হয়। তবে এই কাজটি তৃণমূলের পরামর্শ নিয়ে সম্পন্ন করা হয়। বিশেষ করে, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে জামায়াতের মহিলা বিভাগের পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

শহীদ পরিবারকে সম্মান দিতে জুলাই পরিবারের প্রতিনিধি

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, নারী আসনের ক্ষেত্রে একটি ব্যতিক্রম হলো জুলাই পরিবারের প্রতিনিধিত্ব। যাঁদের রক্ত এবং জীবন দেওয়ার মধ্য দিয়ে এই সংসদ, সরকার এবং দেশের বর্তমান অবস্থান গড়ে উঠেছে, সেই শহীদ পরিবারকে সম্মান দেওয়ার জন্যই জুলাই পরিবারের একজন প্রতিনিধিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এটি দলের একটি বিশেষ সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সমঝোতার অঙ্গীকার রক্ষা ও মনোনয়ন মানদণ্ড

জামায়াতের এই নেতা আরও উল্লেখ করেন যে, মনোনয়নের ক্ষেত্রে ১১ দলের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সমঝোতার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা মুখ্য ছিল। সংসদ নির্বাচনের আগে সমঝোতার সময় সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কিছু অঙ্গীকার ছিল, এবং সেই অঙ্গীকার রক্ষা করা হয়েছে। অতীতে অনৈক্য, অনাস্থা ও বিভাজন তৈরি হয়েছিল রাজনৈতিক দল বা জোটগুলো লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েও সেটি রক্ষা করতে না পারায়। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, ১১ দল অঙ্গীকার রক্ষা করবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মনোনয়নের ক্ষেত্রে সততা, যোগ্যতা ও নৈতিক মানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলেও জানান হামিদুর রহমান আযাদ। এর পাশাপাশি রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও নারীসমাজের প্রতিনিধিত্ব করার মতো যোগ্যতা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় দলটি নারীদের যথাযথ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে চায়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত অন্যান্য নেতৃবৃন্দ

রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সোমবার সন্ধ্যায় ১১ দলের পক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রচার সম্পাদক হাসান জুনাইদ প্রমুখ। এই সম্মেলনে দলগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও মনোনয়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।