খায়রুল কবির খোকন: মৃত জিয়াউর রহমানই বেশি শক্তিশালী
খায়রুল কবির খোকন: মৃত জিয়াউর রহমানই বেশি শক্তিশালী

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নরসিংদী-১ সদর আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন বলেছেন, জিয়াউর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে তার মৃত্যুর মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়েছে যে, জীবিত জিয়ার চেয়ে মৃত জিয়া অনেক বেশি শক্তিশালী। ঘাতকরা তাকে হত্যা করতে পারলেও তার রাজনৈতিক আদর্শকে মুছে ফেলতে পারেনি।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা

শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় নরসিংদী জেলা বিএনপির উদ্যোগে স্থানীয় শিশু একাডেমীতে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান

দলের রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করে খায়রুল কবির খোকন উল্লেখ করেন, বিএনপি কখনো পেছনের দরজা ব্যবহার করে বা অনৈতিক উপায়ে ক্ষমতায় আসেনি। প্রতিটি সময়ই দলটি সরাসরি জনগণের সুনির্দিষ্ট ভোটে নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে এবং এটি রাজনৈতিকভাবে একটি পরীক্ষীত ও প্রমাণিত সত্য।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সুশাসন ও গণমাধ্যমের প্রসঙ্গ

বক্তব্যে দেশের সুশাসন ও গণমাধ্যমের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই নেতা বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান দেশে সংবাদপত্রের পূর্ণ স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, বাংলাদেশে যে পরিমাণ প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে, তাতে যদি সঠিক ব্যবস্থাপনা করা যায় এবং দুর্নীতি ও লুটপাট বন্ধ করা সম্ভব হয়, তবে কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশ থেকে মানুষ এ দেশে ছুটে আসবে।

জিয়া পরিবারের নেতৃত্ব

একই সাথে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন যে, দেশের প্রতিটি জাতীয় সংকটে সব সময় জিয়া পরিবারই সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ

উক্ত আলোচনা সভায় নরসিংদী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নরসিংদী-৩ শিবপুর আসনের সংসদ সদস্য মনজুর এলাহী, নরসিংদী-৫ রায়পুরা আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এবং জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরাও এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

সমাপ্তি ও দোয়া

স্মরণ ও আলোচনা সভাটির সমাপ্তিতে শহীদ জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।