অংকের শিক্ষক বাবাকে ফাঁকি দিয়ে যেভাবে রাজনীতিতে এলেন সোহেল
অংকের শিক্ষক বাবাকে ফাঁকি দিয়ে যেভাবে রাজনীতিতে সোহেল

বিএনপির নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি মনোনয়নপ্রত্যাশী থাকলেও শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন পাননি। সম্প্রতি যুগান্তরের সাক্ষাৎকারে তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের নানা ঘটনা তুলে ধরেছেন।

ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশ

ছাত্র রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার দিনগুলো স্মরণ করে সোহেল বলেন, ‘আমার পুরোনো স্মৃতিগুলো অনেক সময় খেয়াল করতে একটু সমস্যা হয়। তবে যতদূর মনে পড়ে, আমি যখন ইন্টারমিডিয়েটে পড়ি, তখন রংপুর কারমাইকেল কলেজের ছাত্র ছিলাম। আমার আব্বা ওই কলেজেরই গণিতশাস্ত্রের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ছিলেন। তাঁকে বলা হতো “অংকের জাহাজ”। শিক্ষক হিসেবে তাঁর ব্যাপক সুনাম ছিল। সবাই তাঁকে খান স্যার বলে চিনতেন। সারা বাংলাদেশে তাঁর অনেক ছাত্র-ছাত্রী আছে। তিনি ছিলেন অনেক শক্ত ব্যক্তিত্বের মানুষ। তাঁর উপস্থিতিতে ওখানে রাজনীতি করা আমার জন্য খুব কঠিন ছিল।’

বাবার ভয়ে গোপন রাজনীতি

সোহেল আরও বলেন, ‘বাবা চাইতেন না যে আমি ওনার কলেজে রাজনীতি করি, মিছিল-মিটিং করি—এটা চিন্তাও করা যেত না। তবে আমি যখন দ্বিতীয় বর্ষে পড়ি, তখন কলেজের নির্বাচন হলো। আমরা যারা জেলা স্কুল থেকে কলেজে একসঙ্গে এসেছিলাম, তারা মিলে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পক্ষে কাজ করলাম। বিশেষ করে আমি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি বিশেষভাবে দুর্বল ছিলাম। কারণ তাঁর সততা ও দেশপ্রেম আমাকে সবসময় উজ্জীবিত করত, কাছে টানত। কিন্তু আব্বার ভয়ে মিছিল-মিটিং করতে পারতাম না। নির্বাচনে আমি একটু গোপনেই কাজ করলাম—ঠিক যেমন ৪০-৫০ দশকের কমিউনিস্ট আন্দোলনের নেতারা গোপনে কাজ করতেন। আমরা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্যানেলকে জিতিয়ে দিতে পেরেছিলাম।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিশ্ববিদ্যালয় ও পরবর্তী পথ

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে তাঁর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা আরও বাড়ে। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে দলের প্রতি ভালোবাসা বেড়েছে। দল যখন যে নির্দেশ দিয়েছে, আমি সেই নির্দেশই পালন করেছি।’