রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় নিহত সাত বছরের শিশু রামিসার বাসায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকার প্রধানের যাওয়ার আগেই রামিসার বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা এই হত্যার বিচারের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও নিরাপত্তা
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত সাড়ে ৯টার পর থেকে রামিসার পল্লবীর বাসার সামনে আসতে শুরু করেন এলাকাবাসী। এ সময় কয়েকজনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমার মেয়ে কেন হত্যা স্বীকার হলো।’ প্রধানমন্ত্রীর আগমনের আগেই রামিসার বাসার আশেপাশের নিরাপত্তা জেরদার করা হয়। সেখানে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতোন।
প্রধানমন্ত্রীর পৌঁছানো ও প্রতিক্রিয়া
রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে তারেক রহমান রামিসার বাসার সামনে পৌঁছান। এ সময় স্থানীয়রা হত্যার বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
ঘটনার বিবরণ
গত ১৯ মে সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
গ্রেফতার ও স্বীকারোক্তি
পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরবর্তীকালে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর, শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক সোহেল রানা।
প্রতিবাদ ও মানববন্ধন
উল্লেখ্য, এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলাতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ হচ্ছে।



