নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
উত্তেজনা ও প্রশাসনের পদক্ষেপ
জলঢাকার বিভিন্ন এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দীর্ঘদিন ধরে চলছে। সম্প্রতি সেই বিরোধ চরমে ওঠে, যার জেরে সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৪৪ ধারা জারি করে। এর আওতায় এলাকায় চারজনের বেশি একত্রিত হওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, 'পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা ১৪৪ ধারা জারি করেছি। এলাকায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে।'
স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্বেগ
এলাকার বাসিন্দারা শঙ্কিত। তারা জানান, যে কোনো সময় সংঘর্ষ শুরু হতে পারে। এতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়বেন। এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, 'আমরা শান্তি চাই। প্রশাসনের উচিত স্থায়ী সমাধান করা।'
উল্লেখ্য, ১১ বছর ধরে শরীরে রোগ নিয়ে ঘুরছেন দিলজিৎ নামের এক ব্যক্তি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিচ্ছেন কিন্তু উপযুক্ত সেবা পাচ্ছেন না। এদিকে গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি কমছে, কিন্তু নদীভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছেন শতাধিক পরিবার। তারা আশ্রয়ের অভাবে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন।
জামায়াত আমিরের বক্তব্য
জামায়াত আমির সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপস নয় বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, 'সীমান্তে আমাদের জনগণ থাকবে। কোনো ধরনের আপস করা হবে না।' এ বিষয়ে তিনি সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা জানান।
অন্যদিকে, ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বার্তা দিয়েছেন ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার দূতরা। তারা বলেছেন, 'মিমযুদ্ধ চলুক, মারামারি নয়। ফুটবলপ্রেমীদের উচিত খেলাকে উপভোগ করা।'
ইরানের সামরিক প্রধানের বক্তব্য
ইরানের সামরিক প্রধান খামেনির ‘রক্তের প্রতিশোধ’ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, 'খামেনির শেষ বিদায়ে আসেননি সৌদির কেউ। আমরা প্রতিশোধ নেব।' এ বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
এদিকে, প্রতিবন্ধীকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের পর মৃত্যুর ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, প্রেমের জেরে যুবকের আত্মহত্যার চেষ্টা এবং প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা-সংঘর্ষে আহত হয়েছেন দুইজন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সাঈদীর মামলার সাক্ষী অপহরণ
সাঈদীর মামলার সাক্ষী সুখরঞ্জনকে অপহরণকারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার হয়েছেন। তিনি বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।
এসব ঘটনার মধ্যে দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে।



