ময়মনসিংহের তারাকান্দায় কালীমন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর
তারাকান্দায় কালীমন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় একটি কালীমন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার সকালে বিষয়টি টের পান স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে পুলিশ দুপুরে ঘটনাস্থলে যায়।

ঘটনার বিবরণ

উপজেলার রামভদ্রপুর গ্রামে পাশাপাশি আটঘর দেবনাথ পরিবারের বসবাস। গ্রামের অপু দেবনাথের বাড়ির আঙিনায় একটি কালীমন্দিরে তাঁরা সবাই মিলে পূজা করেন। অন্তত ১৪ বছর ধরে এখানে পূজা করা হয়। মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুরের বিষয়ে অপু দেবনাথ শুক্রবার তারাকান্দা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

অপু দেবনাথ বলেন, ‘শুক্রবার সকাল ছয়টার দিকে ঘুম থেকে উঠে মন্দিরের প্রতিমা ভাঙা দেখতে পাই। মন্দিরের সামনের অংশ অরক্ষিত ছিল। মন্দিরের সামনের অংশ বাঁশের চটি দিয়ে বেড়া দেওয়া ও বাঁশের চটির সুতলি দিয়ে আটকানো ছিল। আমরা সকালে দেখতে পাই, শ্যামা কালী মায়ের মূর্তির চারটি হাত ও মাথা ভাঙা। মহাদেবের মূর্তির মাথা ও দুটি হাত ভাঙা। ডাকিনী ও যোগিনী মূর্তির হাত ও মাথা ভাঙা এবং সরস্বতী মূর্তির মাথা ভাঙা।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয়দের বক্তব্য

অপু দেবনাথ আরও বলেন, ‘মন্দিরে প্রতিদিনের মতো সন্ধ্যা আনুমানিক ছয়টায় আরতি দেন প্রতিবেশী দীপালি রানী দেবনাথ। তখন মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুরের কোনো বিষয় আমাদের নজরে আসেনি। রাত একটার পরও প্রতিমা অক্ষত অবস্থায় ছিল। আমাদের ধারণা, রাত একটার পর থেকে সকাল ছয়টার মধ্যে কেউ মন্দিরে প্রবেশ করে প্রতিমাগুলো ভেঙে থাকতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ১৩-১৪ বছর ধরে পূজা করছি। কারও সঙ্গে ঝগড়া–মনোমালিন্য নাই। কে বা কারা প্রতিমা ভেঙেছে, তা বলতে পারছি না। এ নিয়ে সবার মধ্যে আতঙ্ক আছে। যেহেতু কে বা কারা এ কাজ করেছে তা জানি না, সে কারণে মামলা করতে পারিনি।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের অবস্থান

তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রাশিদ বলেন, মন্দিরটি অরক্ষিত ছিল। প্রতিমা ভাঙচুরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁরা মামলা করতে চাননি, থানায় জিডি হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।