নারায়ণগঞ্জের বন্দরে একটি ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে সাথী আক্তার (৩৮) নামে এক গৃহবধূর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে নিহতের স্বামী তার গলা কেটে হত্যা করেছেন।
ঘটনার বিবরণ
বুধবার (১৭ জুন) বিকালে উপজেলার ঝাউতলা কলাবাগ এলাকার ইব্রাহিম মিয়ার বাড়ির তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সাথী আক্তার ওই এলাকার বাসিন্দা ও অভিযুক্ত মো. জনি মিয়ার স্ত্রী। মো. জনি পেশায় একজন সেলুন কর্মচারী। তাদের সংসারে দুই সন্তান রয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিকাল ৪টার দিকে একটি বাড়িতে মরদেহ পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ওই সময় নিহতের স্বামী পলাতক ছিলেন।
স্থানীয়দের তথ্য
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাদের দাম্পত্য জীবনের প্রায় ১৯ বছরে প্রায় সময় পারিবারিক কলহ লেগে থাকতো। বুধবার বিকালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনও একটি বিষয় নিয়ে ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে স্ত্রী সাথীর গলায় আঘাত করে জনি দ্রুত পালিয়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে।
পুলিশের অভিযান
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, নিহতের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী জনি পলাতক রয়েছেন, তাকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। তবে কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা তদন্তের পরে নিশ্চিত করে বলা যাবে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



