হাইকোর্ট পল্লবী শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের জেল আপিল গ্রহণ করেছেন। বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেন।
আপিলের প্রক্রিয়া
দুই আসামি ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে জেল আপিল দায়ের করেছিলেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি আদালতকে মাগুরা ও পল্লবী শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলাগুলোর শুনানিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অনুরোধ জানান।
ট্রাইব্যুনালের রায়
গত ৭ জুন ঢাকা মেট্রোপলিটন শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল পল্লবীর সাত বছর বয়সী শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় ট্রায়াল কোর্ট রায় দেয়। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা ও স্বপ্না আক্তারকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
ডেথ রেফারেন্স
ট্রায়াল কোর্টের রায় ও সংশ্লিষ্ট সব নথি গত ৯ জুন মৃত্যুদণ্ডের বাধ্যতামূলক অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পাঠানো হয়। বিষয়টি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। এদিকে, সোহেল ও স্বপ্না গত ১১ জুন জেল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পৃথক জেল আপিল দায়ের করেন। সূত্র জানায়, আপিলগুলো পরবর্তীতে গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য একই হাইকোর্ট বেঞ্চে পাঠানো হয়।
বিশেষ বেঞ্চ গঠন
পল্লবী শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে অনুরূপ বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য গত ১০ জুন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ চৌধুরী একটি বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করেন। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত এই বেঞ্চ আগামী ১৪ জুন থেকে কার্যক্রম শুরু করবে।



