কুমিল্লায় ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাতের মামলায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বহিষ্কৃত আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সচিব জিসান আহমেদ প্রধানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৬ জুন, ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট-৩-এর বিচারক তাইয়েব উদ্দিন আহমেদের সামনে হাজির করা হয়। পরে শুনানি শেষে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালতের নির্দেশ
কোর্ট পুলিশ ইন্সপেক্টর মামুনুর রশিদ জানান, শুনানি শেষে আদালত জিসানকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। জিসানের আইনজীবী মনির হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, জিসানের শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু শুনানি শেষে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেন।
পরিবারের দাবি
এর আগে জিসানের পরিবার দাবি করেছিল, কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর শুক্রবার রাতে লক্ষ্মণ জংশন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার উদ্ধারের খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে দাউদকান্দি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন এক নারী। মামলায় জিসানসহ তিনজনকে আসামি করা হয়। মামলার বিবৃতিতে ওই নারী অভিযোগ করেন, তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে এবং জোরপূর্বক তার গর্ভপাত করানো হয়েছে।



