বার কাউন্সিলের নির্বাচন স্থগিত: জ্বালানি সংকট ও আইনজীবীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে তফসিল স্থগিত
বার কাউন্সিলের নির্বাচন স্থগিত, তফসিল স্থগিত

বার কাউন্সিলের নির্বাচন স্থগিত: জ্বালানি সংকট ও আইনজীবীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে তফসিল স্থগিত

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল দেশব্যাপী বিদ্যমান তীব্র জ্বালানি সংকট এবং বিভিন্ন আইনজীবী সমিতির আবেদনের ভিত্তিতে আগামী ১৯ মে অনুষ্ঠিতব্য সদস্য নির্বাচন-২০২৬ স্থগিত করেছে। এ সংক্রান্ত তফসিলের কার্যক্রমও স্থগিত করা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন বার কাউন্সিলের সচিব (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদার।

নোটিশে উল্লেখিত কারণসমূহ

বার কাউন্সিলের প্রকাশিত নোটিশে বলা হয়েছে, গত ১৫ এপ্রিল (বুধবার) বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় উপস্থিত সদস্যগণের সর্বসম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সভায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে:

  • দেশব্যাপী বিদ্যমান তীব্র জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষিত
  • সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা আইনজীবী সমিতি ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতিসহ দেশের বিভিন্ন বার সমিতির কাছ থেকে প্রাপ্ত আবেদন
  • বিগত ২ এপ্রিলের কাউন্সিল সভার সিদ্ধান্তমতে আগামী ১৯ মে অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সদস্য নির্বাচন-২০২৬ স্থগিতাদেশ

এই প্রেক্ষিতে, বিগত ৭ এপ্রিল বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত নির্বাচনের তফসিল স্থগিত করা হয়েছে। বার কাউন্সিলের সচিব মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদার উল্লেখ করেন যে, এই সিদ্ধান্তটি আইনজীবী সম্প্রদায়ের সুবিধার্থে এবং বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে গৃহীত হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পূর্ববর্তী সভা ও বিজ্ঞপ্তি

এর আগে, গত বুধবার বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত সিদ্ধান্ত নিয়ে পৃথক আরেকটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিলো বার কাউন্সিল। সেই বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচন স্থগিতের প্রাথমিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, যা পরবর্তীতে তফসিল স্থগিতের মাধ্যমে পূর্ণতা পেয়েছে। বার কাউন্সিলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জ্বালানি সংকট কাটিয়ে ওঠা এবং আইনজীবী সমিতির পরামর্শের ভিত্তিতে নির্বাচনের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

এই স্থগিতাদেশ আইনজীবী মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। অনেকেই মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন পরিচালনা করা কঠিন হবে, তাই এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক। অন্যদিকে, কিছু আইনজীবী নির্বাচনী প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন। বার কাউন্সিলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচনের তফসিল পুনর্বিন্যাস করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে অবহিত করা হবে।