চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের এক মামলায় জামিন, চট্টগ্রাম জেলে আটকই থাকছেন
চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের এক মামলায় জামিন, জেলেই থাকছেন

চট্টগ্রাম আদালতের বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট শাখাওয়াত হোসেনের আদেশে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও আইএসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের এক মামলায় জামিন মঞ্জুর হয়েছে। আদালতের কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি এখনো চট্টগ্রাম জেলে আটক রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আরো বেশ কয়েকটি মামলা চলমান আছে।

মামলার পটভূমি ও জামিন প্রক্রিয়া

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি নেতা ও সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের দায়ের করা একটি ভূমি দখল, ভীতি প্রদর্শন ও শারীরিক নির্যাতনের মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন মঞ্জুর হয়েছে। এই মামলাটি ২০২৩ সালে হাটহাজারী উপজেলার মেখলা এলাকায় দায়ের করা হয়েছিল। মামলাটিতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ মোট ছয়জনকে আসামি করা হয়েছিল। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বা পিবিআই তদন্ত শেষে তাদের প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছিল।

আদালতের কর্মকর্তার বক্তব্য

আদালত বেঞ্চ সহকারী মিজানুর রহমান নিশ্চিত করেছেন যে, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে দায়ের করা জামিন আবেদনটি শুনানির পর মঞ্জুর করা হয়েছে। তিনি বলেন, "আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী জামিন মঞ্জুর হয়েছে, কিন্তু আসামি এখনো চট্টগ্রাম জেলে আটক আছেন।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্যান্য মামলা ও বর্তমান অবস্থা

যদিও এই একটি মামলায় জামিন মঞ্জুর হয়েছে, তবুও চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে এখনো বেশ কয়েকটি মামলা চলমান রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার মামলা। তার বিরুদ্ধে কমপক্ষে ছয়টি মামলা এখনো বিচারাধীন আছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এর আগে, ৭ এপ্রিল আদালত তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছিল। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর জাতীয় পতাকার অবমাননার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই ঘটনায় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছিল। এই ঘটনার পর তার পিতা জামাল উদ্দিন ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।

আইএসকনের অবস্থান ও সাম্প্রতিক ঘটনা

চিন্ময় কৃষ্ণ দাস আইএসকনের নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন, কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের পর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো এখনো আদালতে চলমান রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরো শুনানি হতে পারে। আদালত সূত্রে জানা গেছে, জামিন মঞ্জুর হলেও তিনি অন্যান্য মামলার কারণে এখনো জেলেই থাকবেন এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।