মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাং হত্যা মামলায় ৬ আসামির চার দিনের রিমান্ড আদেশ
কিশোর গ্যাং হত্যা মামলায় ৬ আসামির চার দিন রিমান্ড

মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাং হত্যা মামলায় ৬ আসামির চার দিনের রিমান্ড আদেশ

ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর গ্যাং 'এলেক্স গ্রুপের' হোতা ইমন ওরফে এলেক্স ইমনকে কুপিয়ে হত্যার মামলায় গ্রেপ্তারকৃত ছয় আসামিকে চার দিন করে রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম এই রিমান্ডের আদেশ জারি করেন।

রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিদের পরিচয়

রিমান্ডে যাওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাঈদ হোসেন শিমুল ওরফে আইয়ুশ, তুহিন বিশ্বাস, রাব্বি কাজী, সুমন ওরফে পাখির পোলা সুমন, রানা এবং রাসেল ওরফে পিচ্চি রাসেল। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মিজানুর রহমান এই রিমান্ডের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ১২ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বুদ্ধিজীবী রোডের বেড়িবাঁধের ঢালে প্রতিপক্ষের কয়েকজন মিলে ইমনকে কুপিয়ে আহত করে।

ঘটনার বিবরণ ও মামলা দায়ের

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমনের মৃত্যু হয়। পরদিন তার মা ফেরদৌসী এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার পর এই ছয় জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) আদালতে তাদের সাত দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই সাধন কুমার মন্ডল। ওইদিন আসামিদের কারাগারে পাঠিয়ে বৃহস্পতিবার রিমান্ড শুনানির দিন নির্ধারণ করেন আদালত।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আদালতের শুনানি ও রিমান্ড আদেশ

আজকের শুনানিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। আসামিদের পক্ষে শফিকুল ইসলাম (শফিক)সহ কয়েকজন রিমান্ড বাতিল করে জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আসামিদের চার দিন করে রিমান্ডের আদেশ দেন। এই রিমান্ডের মাধ্যমে তদন্তকারীরা আরও তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হত্যাকাণ্ডের পটভূমি

উল্লেখ্য, এলেক্স ইমন গত ১২ এপ্রিল বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে মোহাম্মদপুরের বুদ্ধিজীবী রোডের বেড়িবাঁধের ঢালে যান। সেখানে পূর্ব শত্রুতার জেরে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। আশপাশের লোকজনের খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনা মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের আধিপত্যের বিরোধের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।