সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের জানাজা অনুষ্ঠিত, শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন
সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদের জানাজা অনুষ্ঠিত

সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের জানাজা অনুষ্ঠিত

সাবেক আইনমন্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের নামাজে জানাজা সোমবার দুপুর ২টায় সুপ্রিম কোর্টের ইনার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজাটি পড়িয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মুফতি আবু জাফর। এই অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিগণ, অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, প্রয়াত ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের পুত্র ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলসহ অসংখ্য আইনজীবী ও শুভানুধ্যায়ী উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়, যা তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মানের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

মৃত্যু ও চিকিৎসার বিবরণ

এর আগে, রবিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮৮ বছর। জানা গেছে, লিভারজনিত গুরুতর সমস্যার কারণে তিনি গত ১১ এপ্রিল তারিখে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যু আইনজগৎ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে দেখা দিয়েছে।

জীবন ও কর্ম

ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী (টেকনোক্রেট) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও, তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। তার দীর্ঘ ও গৌরবময় কর্মজীবন আইন পেশা ও সরকারি সেবায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে, যা তাকে জাতীয় পর্যায়ে সম্মানিত ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন ও সমাহিতকরণ

ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের মরদেহ বিকাল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হবে, যাতে সর্বসাধারণ তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেন। এরপর আজিমপুর কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে, যা তার পরিবার ও অনুসারীদের জন্য এক শোকময় মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হবে। এই প্রক্রিয়াটি তার প্রতি জাতির কৃতজ্ঞতা ও স্মরণের একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।