ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
শেখ মামুন খালেদের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

রাজধানী ঢাকায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা ও দলটির কর্মী মকবুল হত্যার অভিযোগে করা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই মামলায় সেনাবাহিনীর বরখাস্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আফজাল নাছেরের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

আদালতের আদেশ ও শুনানি প্রক্রিয়া

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) স্পেশাল অপারেশন টিমের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. তোফাজ্জেল হোসেনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ রোববার এ আদেশ দেন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ। এসআই তোফাজ্জেল হোসেন তাঁর আবেদনে মামুন খালেদের এক দিন এবং আফজাল নাছেরের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন, কিন্তু শুনানির পর আদালত সংশোধিত আদেশ দেন।

রিমান্ড আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি ওমর ফারুক ফারুকী। অন্যদিকে, আসামিপক্ষে রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন। এই শুনানি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালত উভয় পক্ষের যুক্তি বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আগের রিমান্ড ও গ্রেপ্তারের ইতিহাস

এ মামলায় মামুন খালেদ ও আফজাল নাছেরকে আগেও রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। গত ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে গ্রেপ্তার হন মামুন খালেদ। পৃথক দুই মামলায় তাঁর এখন পর্যন্ত পাঁচ দফায় রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে, যা তদন্তের জটিলতা ও গুরুত্ব নির্দেশ করে।

অন্যদিকে, গত ২৯ মার্চ দিবাগত রাতে গ্রেপ্তার হন আফজাল নাছের। পৃথক দুই মামলায় তাঁর এ পর্যন্ত চার দফায় রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে, যা এই মামলার বিস্তৃত তদন্তের ধারাবাহিকতা তুলে ধরে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার পটভূমি ও বাদীর আবেদন

২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা ও মকবুল নামে দলটির এক কর্মীকে হত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। মাহফুজার রহমান নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পল্টন মডেল থানায় মামলাটি করেন। এই মামলাটি রাজনৈতিক সহিংসতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আদালতের এই রিমান্ড আদেশ তদন্তের অগ্রগতি ও বিচারিক প্রক্রিয়ার একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিচার বিভাগের সমন্বিত প্রচেষ্টা এই মামলার সত্যতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।