নারায়ণগঞ্জ গণ-অভ্যুত্থান মামলায় শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৯ এপ্রিল
নারায়ণগঞ্জ গণ-অভ্যুত্থান মামলা: শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির শুনানি ১৯ এপ্রিল

নারায়ণগঞ্জ গণ-অভ্যুত্থান মামলায় শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৯ এপ্রিল

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ নারায়ণগঞ্জে জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত গণ-অভ্যুত্থানকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে।

আদালতের আদেশ ও শুনানি প্রক্রিয়া

রবিবার (৫ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেন। আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ান। তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান, এই মামলার সব আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। এ কারণে আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী (স্টেট ডিফেন্স) নিয়োগসহ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানির জন্য সময় প্রার্থনা করেন তিনি। শুনানি শেষে আদালত আগামী ১৯ এপ্রিল পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

পূর্ববর্তী আদেশ ও অভিযোগের বিবরণ

গত ৪ মার্চ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল পলাতক ১২ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলেন। চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ ও ২১ জুলাই এবং ৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা-সাইনবোর্ড এলাকায় ১০ জনকে হত্যা করা হয়। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আসামিরা সবাই অস্ত্রধারী ছিলেন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শামীম ওসমানসহ ১২ জনকে আসামি করে মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি পৃথক অভিযোগ আনা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আদালতের এই সিদ্ধান্ত নারায়ণগঞ্জের গণ-অভ্যুত্থানকালীন ঘটনাগুলোর বিচারিক প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আসামিদের পলাতক অবস্থা সত্ত্বেও ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দিকে অগ্রগতি নির্দেশ করে।