বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচন আগামী ১৯ মে অনুষ্ঠিত হবে
সারাদেশের আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচন-২০২৬-এর ভোটগ্রহণ আগামী ১৯ মে অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বার কাউন্সিলের সচিব (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদারের সই করা একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন অ্যাটর্নি জেনারেল
এই বিশেষ সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল ও বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সিনিয়র অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল)। তার নেতৃত্বে সভাটি পরিচালিত হয় এবং নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা হয়। সভায় বার কাউন্সিলের বিভিন্ন কমিটির চেয়ারম্যান ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন, যা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও জোরদার করেছে।
উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন কমিটির চেয়ারম্যান ও সদস্যরা
সভায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান এ.এস.এম. বখতিয়ার আনোয়ার, লিগ্যাল এডুকেশন কমিটির চেয়ারম্যান সিনিয়র অ্যাডভোকেট আবদুল আল মামুন, রিলিফ কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. শফিকুল ইসলাম, রোল ও পাবলিকেশন কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. মাহফুজ আহসানসহ অন্যান্য সদস্যরা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। তাদের উপস্থিতি ও মতামত নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সভায় উপস্থিত সদস্যদের সম্মতিতে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও, নির্ধারিত তারিখে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হবে বলেও দৃঢ়ভাবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এটি আইনজীবী সম্প্রদায়ের জন্য একটি স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত নির্বাচন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপ।
পূর্ববর্তী পরিস্থিতি ও বর্তমান সিদ্ধান্ত
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত না করে এডহক কমিটি গঠনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। এই দীর্ঘ সময় পর নতুন করে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হলো, যা বার কাউন্সিলের নিয়মিত ও গণতান্ত্রিক কার্যক্রম পুনরুদ্ধারের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত আইন পেশার উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে।



